ওয়াইজে যেকোনো দেশের ক্লায়েন্ট থেকে ফান্ড রিসিভ করার নিয়ম

ওয়াইজ আপনাকে ৮ টি দেশের ব্যাংক একাউন্ট দিবে এবং এই লিস্ট দিন দিন বাড়বে, ব্যাংক একাউন্ট নিয়ে বিস্তারিত এখানে। যদি আপনার ক্লায়েন্ট এমন দেশের হয় যে যাদেরে কারেন্সিতে ওয়াইজ ব্যাংক একাউন্ট পাওয়া না যায় সেক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট নিজে ওয়াইজ একাউন্ট ওপেন করে ওয়াইজ টু ওয়াইজ ট্রান্সফার করবে।

আপনার ক্লায়েন্ট যদি বাংলাদেশের মত দেশের হয় যারা রাষ্ট্রীয় আইন দিয়ে বিদেশে টাকা সেন্ড করার অপশন বন্ধ করে রেখেছে সেক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট ওয়াইজ দিয়ে আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবে না। আপনি যেমনটা জানেন ওয়াইজ বাংলাদেশের কোন কার্ড সাপোর্ট করে না, তাই দেশি কার্ড দিয়ে ডলার এনড্রোস করার পরও ফান্ড লোড কিংবা ভেরিফাই করা যায় না।

মাল্টি-কারেন্সি একাউন্টে টাকা কিভাবে পাঠাবে?

কেনাডা থেকে EFT করা যায়, Wire Transfer করা যায় না। USD তে Wire and ACH দুইটাই করা যায়। ACH এ ক্লায়েন্টের খরচ কম। ক্লায়েন্টের যদি ওয়াইজ একাউন্ট থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি শুধু তাকে ইমেইল এড্রেস দিলেই হবে।

আপনার ক্লায়েন্টের দেশের কারেন্সির ব্যাংক একাউন্ট যেটা ওয়াইজ থেকে পাবেন সেই ব্যাংক ডিটেইলস আপনি সরবরাহ করবেন নিচে দেখানো ভিডিও এর মত। ক্লায়েন্টের এবং আপনার ফি কেমন কাটবে তা এই পেজে বলা হয়েছে

1 thought on “ওয়াইজে যেকোনো দেশের ক্লায়েন্ট থেকে ফান্ড রিসিভ করার নিয়ম”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *